এ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং

Abdullah al sadik এর মাধ্যমে বিক্রির জন্য14 অক্টো 11:46 এএমসোনাডাংগা, খুলনা

৳ ১৫,০০০

বাংলাদেশের মোট জাতীয় রপ্তানি আয়ের সিংহভাগই আসে পোশাকশিল্প থেকে। এ শিল্পের সঙ্গে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত প্রায় ৫০ লাখ মানুষ। শিল্পের মাধ্যমে দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়নের পাশাপাশি কর্মসংস্থানেরও সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। বাংলাদেশে গার্মেন্ট শিল্পে বিপুল সংখ্যক মার্চেন্ডাইজার কাজ করেন।RMG সেক্টরে ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে সবচেয়ে আকর্ষণীয় ক্ষেত্রটির নাম হলো মার্চেন্ডাইজিং। মান-মর্যাদা, দায়িত্বশীলতা ও ভাল ক্যারিয়ার growth-এর জন্য এই পেশাকে RMG সেক্টরের প্রাণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একজন মার্চেন্ডাইজার সাধারণত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির/ liaison Office/ বায়িং হাউজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পাদন করে থাকে। তাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল ডিপার্টমেন্টের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়। সাধারণত Product Development থেকে শুরু করে sampling, costing, planning, communication, coordination এবং sourcing-এর কাজগুলো ধাপে ধাপে ও Parallel-এ করতে হয়। এক কথায় বলতে গেলে, একটি অর্ডারকে বাস্তবায়নে যা যা করণীয় তা একজন মার্চেন্ডাইজারই সম্পাদন করে থাকে।
একজন মার্চেন্ডাইজার সাধারণত গার্মেন্টস ফ্যাক্টরির/ liaison Office/ বায়িং হাউজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কাজগুলো সম্পাদন করে থাকে। তাকে উক্ত প্রতিষ্ঠানের প্রায় সকল ডিপার্টমেন্টের সাথে সমন্বয় রেখে কাজ করতে হয়। সাধারণত Product Development থেকে শুরু করে sampling, costing, planning, communication, coordination এবং sourcing-এর কাজগুলো ধাপে ধাপে ও Parallel-এ করতে হয়। এক কথায় বলতে গেলে, একটি অর্ডারকে বাস্তবায়নে যা যা করণীয় তা একজন মার্চেন্ডাইজারই সম্পাদন করে থাকে।
ক্যারিয়ারের প্রাথমিক অবস্থায় একজন মার্চেন্ডাইজার গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে Management Trainee অথবা Intern হিসেবে কাজ শুরু করে। বায়ার অর্থাৎ বিদেশি ক্রেতাদের প্রথমে কয়েকটি পোশাকের স্যাম্পল দেখাতে হয়। বায়ারের কোনো একটি স্যাম্পল পছন্দ হলে এর প্রাইস অফার করেন মার্চেন্ডাইজার। প্রাইস অ্যাকসেপ্ট হলে চাহিদা অনুযায়ী কাপড় ও আনুষঙ্গিক দ্রব্যাদি সরবরাহ করা এবং বায়ারদের অনুমোদন সাপেক্ষে তা যথাসময়ে জাহাজিকরণ করাই একজন মার্চেন্ডাইজারের কাজ। শুধু এক্সপোর্টই নয়, অনেক সময় পোশাক তৈরিতে যত রকম কাপড় ও এক্সেসরিজ দরকার হয়, তা ইমপোর্টও করতে হয় মার্চেন্ডাইজারকে। যেমন- বাটন, জিপার, সুতা, লেবেল, টুইল টেপ, পলি, কার্টন, গাম টেপ ইত্যাদি। দরদাম করে এলসির মাধ্যমে বিদেশ থেকে কেনার দায়িত্ব থাকে মার্চেন্ডাইজারের ওপর। যোগ্যতা ‘যেকোনো বিষয়ে স্নাতক ডিগ্রিধারীরা এ পেশায় আসতে পারে। এ ক্ষেত্রে ইংরেজিতে পারদর্শিতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কারণ বিদেশি বায়ারদের সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে কথা বলতে হবে এবং প্রোডাক্ট সম্পর্কে তাদের সঠিক ধারণা দিতে হবে। একই সঙ্গে কম্পিউটার জানাটাও আবশ্যক। কারণ বায়ারদের সঙ্গে ই-মেইলেই যোগাযোগটা করতে হয়, কাজের অগ্রগতি সম্পর্কে আপডেট দিতে হয়’ কাজের ক্ষেত্র বর্তমানে বাংলাদেশে বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত বায়িং হাউসের সংখ্যা প্রায় এক হাজার। বিজিবিএর সদস্যভুক্ত বায়িং হাউসের সংখ্যা দুই শত। এ দুই সংগঠন ছাড়াও আলাদাভাবে কাজ করছে আরো ৬০০ থেকে ৮০০ বায়িং হাউস। সব মিলিয়ে বায়িং হাউসের সংখ্যা প্রায় দুই হাজার। প্রতিটি বায়িং হাউসে গড়ে চারজন করে মার্চেন্ডাইজার কাজ করে। আর বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত গার্মেন্ট ফ্যাক্টরির সংখ্যা প্রায় সাড়ে চার হাজার। এখানেও প্রতিটি প্রতিষ্ঠানে গড়ে চার থেকে আটজন মার্চেন্ডাইজার কাজ করেন। প্রতিনিয়তই তৈরি হচ্ছে নতুন নতুন বায়িং হাউস ও গার্মেন্ট ফ্যাক্টরি। আর সেই সঙ্গে বাড়ছে দক্ষ মার্চেন্ডাইজারের সংখ্যা। তাই পেশা হিসেবে মার্চেন্ডাইজিংকে বেছে নিতে হলে প্রস্তুতি নিতে হবে ভালোভাবে। পদোন্নতি এ পেশায় শুরুতে অ্যাসিস্ট্যান্ট মার্চেন্ডাইজার হিসেবে নিয়োগ হয়। এরপর যোগ্যতা অনুযায়ী মার্চেন্ডাইজার, সিনিয়র মার্চেন্ডাইজার এবং মার্চেন্ডাইজার ম্যানেজার হিসেবে পদোন্নতি হয়। বায়ারদের সঙ্গে কথা বলে কে কত সহজে কাজটি আদায় করতে পারে, তার ওপর নির্ভর করে পদোন্নতি। মেয়েদের কাজের ক্ষেত্র এ সেক্টরে দিন দিন মেয়েদের চাহিদা বাড়ছে। কিন্তু সেই তুলনায় পাওয়া যাচ্ছে না দক্ষ মেয়ে মার্চেন্ডাইজার। ক্ষেত্রভেদে ছেলেদের তুলনায় এ সেক্টরে মেয়েদের সফলতার হার বেশি। তবে ৯টা-৫টা অফিসের বাইরে বেশিক্ষণ কাজ করতে হয় বলে মার্চেন্ডাইজিং বিভাগের কমার্শিয়াল অফিসার হিসেবে বেশির ভাগ মেয়ে কাজ করছেন। বলছিলেন টেক্স ভেলি গ্রুপের মার্চেন্ডাইজার কাম অ্যাসিস্ট্যান্ট কমার্শিয়াল অফিসার আতিয়া আকতার নীপা। মেয়ে কমার্শিয়াল অফিসাররা মূলত আমদানি-রপ্তানি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকিংয়ের কাজগুলো করেন। বেতন-কাঠামো মার্চেন্ডাইজিং পেশায় শুরুতে বেতন হিসেবে ১২ হাজার থেকে ২০ হাজার টাকা হতে পারে। তবে পূর্ব অভিজ্ঞতা ছাড়া ফ্রেশার হিসেবে শুরু করলে বেতন আট হাজার টাকা থেকে শুরু হতে পারে। চার থেকে পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মার্চেন্ডাইজারের বেতন ৩০ থেকে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত হতে পারে। জানান কেআরসি কম্পোজিটের মার্চেন্ডাইজার সাজ্জাদ হোসেন। প্রশিক্ষণ নেবেন কোথায় মার্চেন্ডাইজার হিসেবে ক্যারিয়ার গড়তে চাইলে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি ছয় মাস থেকে এক বছরের প্রশিক্ষণ নিতে হবে। ফলে একজন ফ্রেশারের তুলনায় শুরুতেই বেতন চার থেকে পাঁচ হাজার টাকা বেশি হয়ে থাকে। দেশে বেশ কিছু প্রতিষ্ঠান মার্চেন্ডাইজিংয়ের ওপর কোর্স করিয়ে থাকে।
বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড অনুমোদিত এ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং ইনস্টিটিউট,খুলনা । প্রশিক্ষন সময়কাল :(৩/৬ মাস ,১ বছর) , শুক্রবার ক্লাশ ।
এ্যাপারেল মার্চেন্ডাইজিং, (৬ মাস) (১ বছর)
কম্পিউটার, গামেন্টস ক্যাড,
টেক্টাইল ক্যাড,সিভিল ক্যাড,
আর্কিটেক্ট ক্যাড ড্রেস মেকিং অ্যান্ড টেইলারিং ।
কোর্স শেষে সরকারি সনদপএ দেওয়া হয় ।
১০৯, সোনাডাঙ্গা বাইপাস সড়ক, সোনাডাঙ্গা,খুলনা ।
www.facebook.com/ami35194


কন্ডিশন:
নতুন
অভিযোগ করুন

যোগাযোগ করুন

  • 01752699097

 

নিরাপদ থাকুন!

  • সর্বদা বিক্রেতার সাথে সরাসরি দেখা করবেন
  • আপনি যা কিনতে যাচ্ছেন তা দেখার পূর্বে কোনো টাকা পরিশোধ করবেন না
  • অচেনা কারও নিকট টাকা পাঠাবেন না

দেখুন:

  • অবাস্তব মূল্য
  • অতিরিক্ত ফি
  • অগ্রিম অর্থ প্রদানের অনুরোধ
  • ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য অনুরোধ

নিরাপদে থাকার আরও কিছু কৌশল


বিজ্ঞাপনটি শেয়ার করুন