tre.gif
Sell faster
Buy smarter
  1. All ads
  2. Services
  3. Travel Agents & Tours
  4. Payment Services
Promoted
Dhaka, Baridhara, 2 hours ago
78 views

বাংলাদেশে বসে শেনজেন দেশের নাগরিকত্ব পাওয়ার সুযোগ

+1
Store address
Dhaka • Baridhara
Uttar Baridhara Club.
Closed
• Mon, Tue, Wed, Thu, Sun, 09:00-18:00
আপনার কাছে কি ১৯ ( উনিশ লাখ) টাকা অলস পড়ে আছে ❓ তাহলে বাংলাদেশে বসেই আপনি শেনজেন দেশ Estonia র নাগরিকত্ব পেতে পারেন। ভিসার আগে Agreement ভিসার পরে Payment. সেই ক্ষেত্রে Step One : আপনাকে দুনিয়ায় যে কোন একটা দেশ ভ্রমণ করতে হবে। Step Two : আপনার নামে যে কোন Bank ( বিদেশী ব্যাংক হলে ভালো হয়) একটা RFCD Account খুলে সেখানে ৫০০০ ( পাচ হাজার) ইউরো (, প্রায় সাত লাখ টাকা) জমা রাখতে হবে। ( Estonia যাওয়ার পর আপনি) এই টাকা ভাংগতে পারবেন Step Three : অত: পর আপনার পক্ষে আমরা সকল কাগজ পত্র জমা দিব Step Four : ভিসা পাওয়ার পর আপনি আমাদের ১৯ লাখ টাকা জমা দিবেন এস্তোনিয়া উত্তর-পূর্ব ইউরোপের একটি রাষ্ট্র। রাজধানীর নাম তাল্লিন। তাল্লিন একটি গুরুত্বপূর্ণ বাল্টিক সমুদ্রবন্দর এবং দেশের বৃহত্তম শহর। দেশটিতে মাত্র ১২ লাখ মানুষের বসবাস। ২০০৪ সালের ১ মে এস্তোনিয়া ইউরোপীয় ইউনিয়নের পূর্ণ সদস্যপদ লাভ করে এবং একই বছরের ২৯ মার্চ থেকে দেশটি ন্যাটোজোটভুক্ত। এস্তোনিয়া পৃথিবীর প্রথম ই-কান্ট্রি। ভোট দেয়া থেকে শুরু করে সিগনেচার পর্যন্ত সবকিছুই ডিজিটাল সেবা। এমনকি দেশটির ই-রেসিডেন্ট পর্যন্ত হয়ে যেতে পারবেন বাংলাদেশে বসেই। এই দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খুলতে পারেন বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে। এস্তোনিয়ার ই-রেসিডেন্স পেতে শুরুতে তাদের ওয়েবসাইটে গিয়ে ফর্ম পূরণ করতে হবে। ফর্ম পূরণের সময় নামের সঙ্গে আপনার ছবি আপলোড করতে হবে। কী উদ্দেশ্যে আবেদন করছেন সেটাও উল্লেখ করতে হবে। এরপর ১০০ ইউরো ফি প্রদান করার পর আপনার আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। আইডি কার্ড আপনি সারা বিশ্বে ছড়িয়ে থাকা ৩৮টি এস্তোনিয়ান দূতাবাস থেকে সংগ্রহ করতে পারবেন। ফর্ম পূরণের সময় উল্লেখ করে দিতে হবে কোনো জায়গা থেকে আপনি কার্ডটি গ্রহণ করতে চান। যেমন, বাংলাদেশের ক্ষেত্রে নিকটবর্তী সংগ্রহের স্থান হলো নয়াদিল্লি এস্তোনিয়া দূতাবাস। সাধারণত ২ থেকে ৪ সপ্তাহ পর্যন্ত সময় লাগে পুরো প্রক্রিয়া শেষ হয়ে কার্ড হাতে পেতে। সশরীরে কার্ড সংগ্রহ করতে গেলে ওই সময় আপনাকে আপনার নিজ দেশের নাগরিকত্বের প্রমাণ স্বরূপ পাসপোর্ট দেখাতে হবে এবং ডাটাবেজে আপনার আঙ্গুলের ছাপ প্রদান করতে হবে। এরপর আপনাকে একটা খাম দেয়া হবে যার ভেতর থাকবে আপনার ই-রেসিডেন্সি কার্ড, একটা কার্ড রিডার আর কিছু কাগজপত্র। কার্ড হাতে পাওয়া মাত্রই আপনি একজন এস্তোনিয়ার ডিজিটাল নাগরিক! এখন কথা হলো এস্তোনিয়ার ডিজিটাল কার্ড দিয়ে কী হবে? এই কার্ড আপনার ডিজিটাল নাগরিকত্বের পরিচয়পত্র। এর মাধ্যমে আপনি যেকোনো দেশে বসবাস করে এস্তোনিয়াতে ব্যবসা করতে পারবেন, দরকারি কাগজপত্রের কাজ সারতে পারবেন এবং নিরাপদ আর্থিক লেনদেন করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, একজন বাংলাদেশি ব্যবসায়িক উদ্যোক্তা এস্তোনিয়াতে একটা ‘স্টার্ট আপ’ অথবা ব্যবসা প্রতিষ্ঠান খুলতে চান যেটা কিনা ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত সব দেশে তার সেবা বা সার্ভিস দিতে পারবে। এই ডিজিটাল নাগরিকত্বের মাধ্যমে তিনি বাংলাদেশে বসেই অনলাইনেই এস্তোনিয়াতে কোম্পানি খুলে ফেলতে পারবেন কোনো কাগজপত্রের ঝামেলা ছাড়াই, সশরীরে না থেকেও। এ ছাড়া বিশ্বের একমাত্র বিশুদ্ধ বায়ুর দেশও বলা হয় এস্তোনিয়াকে। সেই সঙ্গে মুক্তমত কিংবা সংবাদ মাধ্যমের স্বাধীনতার ক্ষেত্রেও দেশটি পৃথিবী সেরা। যে কোনো ধরনের মতামত জানানোর সুযোগ রয়েছে। এজন্য আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী কাউকে জেলে দেবে না, এমনকি কাউ অযথা হয়রানিও করবে না। ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশটি সোভিয়েত ইউনিয়ন থেকে স্বাধীন হয়েছে ১৯৯১ সালে। স্বাধীনতার মাত্র ২৬ বছরের মাথায় সফলতার শীর্ষে পৌঁছে গেছে। জনসংখ্যা কম হওয়ার কারণেই এস্তোনিয়ার পক্ষে তার পুরো সরকার ব্যবস্থাই অনলাইনে চালানো সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু বেশি জনসংখ্যার এবং জটিল সরকার ব্যবস্থা ও বড় দেশগুলোতে এভাবে শুধু অনলাইনের মাধ্যমেই সরকারি সেবা দেওয়া সম্ভব কিনা এ বিষয়ে নিশ্চিত নয় বিশেষজ্ঞরা।
Show contact
Report Abuse
Safety tips
  • Check Feedback to make sure the person is reliable
  • Agree on the scope of work and remuneration
  • Meet in person at a safe public place
frame_left.gif