সরাসরি গোয়ালার কাছ থেকে সংগৃহীত একদম খাঁটি ও নির্ভেজাল গাওয়া ঘি

.. এর মাধ্যমে বিক্রির জন্য১১ অগাস্ট ১২:৩৩ পিএমমোহাম্মদপুর, ঢাকা

৳ ১,০৯০

আলোচনা সাপেক্ষে


আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহ। আশা করি সকলে ভাল আছেন।

*******অনেকের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তার পরিপ্রেক্ষিতে অবশেষে খাঁটি ও নির্ভেজাল গাওয়া ঘি এখন থেকে আপনাদের চাহিদা অনুযায়ী সবাইকে নিয়মিত ডেলিভারি দিতে পারবো ইনশাআল্লাহ। সাথে দামটাও নিশ্চয়ই আপনাদের নাগালের মধ্যেই পেয়ে যাচ্ছেন।

***প্লাস্টিকের জারে সাইজ দুইটাঃ এক (০১) কেজি এবং আধা (১/২) কেজি।

*****ঢাকার মধ্যে হোম ডেলিভারির ব্যবস্হা রয়েছে এবং ঢাকার বাইরে যে কোন জেলায়, যে কোন জায়গায় কুরিয়ার এর মাধ্যমে পণ্য পৌঁছে দেওয়া হয়। (কন্ডিশন অ্যাপ্লাই)।

*******এখন পর্যন্ত আমরা অনেকেই জানিনা ঘি খাওয়া আমাদের শরীরের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ। আসুন প্রথমেই আমরা এ-বিষয়ক কিছু তথ্য জেনে নেই এবং সেই সাথে আরও জেনে নেই কেন আমাদের প্রতিদিন ঘি খাওয়া উচিত-

মস্তিষ্ক থেকে পায়ের নখ পর্যন্ত শরীরে একাধিক অঙ্গের সচলতা বৃদ্ধিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। নিশ্চয় বিশ্বাস হচ্ছে না আমার কথা! তাহলে এক্ষুনি চোখ রাখুন বাকি প্রবন্ধে এবং জেনে নিন কেমনভাবে ঘি একাধিক শারীরিক ক্ষতির হাত থেকে রক্ষা করে থাকে।

১. ব্রেন টনিক হিসেবে কাজ করে:

নিউট্রিশনিস্টদের মতে নার্ভের কর্মক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি সার্বিকবাবে ব্রেন পাওয়ারের উন্নতিতে ঘি-এর কোনও বিকল্প হয় না বললেই চলে। আসলে এত উপস্থিত ওমাগা- ৬ এবং ৩ ফ্যাটি অ্যাসিড শরীর এবং মস্তিষ্ককে চাঙ্গা রাখতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি প্রাকাশিত বেশ কিছু গবেষণায় দেখা গেছে এই দুই ধরনের ফ্যাটি অ্যাসিড ডিমেনশিয়া এবং অ্যালঝাইমারসের মতো রোগের প্রকোপ কমাতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে।

২. ক্যান্সার রোগকে দূরে রাখে:

ঘিতে উপস্থিত অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত ফ্রি রেডিকালদের ক্ষতি করার ক্ষমতাকে কমিয়ে দেয়। ফলে কোষের বিন্যাসে পরিবর্তন হয়ে ক্যান্সার সেলের জন্ম নেওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। প্রসঙ্গত, আমাদের দেশে অনেকেই ঘি সহযোগে রান্না করে থাকেন। এই অভ্যাসও কিন্তু খারাপ নয়। কারণ ঘি-এর "স্মোকিং পয়েন্ট" খুব হাই। ফলে বেশি তাপমাত্রায় রান্না করলেও কোনও ক্ষতি হয় না।

৩. হজম ক্ষমতার উন্নতি ঘটায়:

খাবার হজম করতে সহায়ক নানাবিধ স্টমাক অ্যাসিডের ক্ষরণ বাড়াতে ঘি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। ফলে বদ-হজম এবং গ্যাস-অম্বল হওয়ার আশঙ্কা হ্রাস পায়। এখানেই শেষ নয়, প্রখ্যাত সেলিব্রিটি নিউট্রিশনিস্ট রুজুতা দিওয়াকার তার লেখা একাধিক বইয়ে ঘির উপকারিতা সম্পর্কে আলোচনা করতে গিযে বলেছেন, খিচুড়ি বা পুরান পলির মতো খাবার ঠিক মতো হজম করাতে এই সবের সঙ্গে ঘি খাওয়া মাস্ট! কারণ ঘি যে কোনও ধরনের রিচ কাবারকে সহজে হজম করিয়ে দিতে সক্ষম।

৪. ত্বকের সৈন্দর্য বৃদ্ধি করে:

আয়ুর্বেদ শাস্ত্র মতে ঘি হল হল প্রকৃতিক ময়েশ্চারাইজার, যা ত্বক এবং ঠোঁটের হারিয়ে যাওয়া আদ্রতা ফিরিয়ে আনতে বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে। শুধু তাই নয়, প্রতিদিন অল্প পরিমাণ ঘি-এর সঙ্গে যদি সামান্য় জল মিশিয়ে মুখে লাগাতে পারেন, তাহলে ত্বকের বয়স চোখে পরার মতো কমে।

৫. ওজন কমাতে সাহায্য করে:

একেবারেই ঠিক শুনেছেন! ঘি খেলে ওজন বাড়ে না, বরং কমে। একাধিক কেস স্টাডি করে দেখা গেছে ঘি-তে উপস্থিত এসেনশিয়াল অ্যামাইনো অ্যাসিড শরীরে জমে থাকা অতিরিক্ত চর্বিদের ঝড়িয়ে ফেলতে সাহায্য করে। ফলে স্বাভাবিকবাবেই ওজন কমতে শুরু করে।

৬. আরও কিছু উপকারিতা:

নিয়মিত ঘি খেলে দৃষ্টিশক্তির উন্নতি ঘটে। সেই সঙ্গে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এতটাই শক্তিশালী হয়ে ওঠে যে কোনও ধরনের সংক্রমণই ধারে কাছে ঘেঁষতে পারে না।


খাদ্যদ্রব্যের ধরণ:
অন্যান্য
অভিযোগ করুন

যোগাযোগ করুন

  • ০১৯১৩৭১৩৬০৩
  • ০১৬৪৮৪০৭৫৯০

 

নিরাপদ থাকুন!

  • সর্বদা বিক্রেতার সাথে সরাসরি দেখা করবেন
  • আপনি যা কিনতে যাচ্ছেন তা দেখার পূর্বে কোনো টাকা পরিশোধ করবেন না
  • অচেনা কারও নিকট টাকা পাঠাবেন না

দেখুন:

  • অবাস্তব মূল্য
  • অতিরিক্ত ফি
  • অগ্রিম অর্থ প্রদানের অনুরোধ
  • ব্যক্তিগত তথ্যের জন্য অনুরোধ

নিরাপদে থাকার আরও কিছু কৌশল

চ্যাট


বিজ্ঞাপনটি শেয়ার করুন
এই বিজ্ঞাপনটি প্রচার করুন

অনুরূপ বিজ্ঞাপনসমূহ