২০২১ রেঞ্জ রোভার ভোগ একটি বিলাসবহুল এবং শক্তিশালী এসইউভি যা আভিজাত্যের সাথে পারফরম্যান্সের মেলবন্ধন ঘটিয়েছে। এর রয়েছে রাজকীয় অন-রোড প্রেজেন্স এবং উচ্চমানের উপাদান ও আধুনিক প্রযুক্তির এক চমৎকার কেবিন। ভোগ-এ রয়েছে মাইল্ড-হাইব্রিড অপশনসহ শক্তিশালী ইঞ্জিন, যা নিশ্চিত করে স্মুথ এবং সাশ্রয়ী ড্রাইভ।
২০২১ রেঞ্জ রোভার ভোগ এখন উপলব্ধ!!
সাধারণ স্পেসিফিকেশন:
মডেল ইয়ার - ২০২১
- রেজিস্ট্রেশন - ২০২১
ইঞ্জিন ক্যাপাসিটি - ৩০০০ সিসি
জ্বালানির ধরন - অকটেন
এক্সটেরিয়র: মেটালিক ব্লক
ওডো - ৭,০০০ মাইল
ইন্টেরিয়র, কমফোর্ট এবং কার্গো
প্রতিটি রেঞ্জ রোভারেই রয়েছে স্ট্যান্ডার্ড লেদার সিট, হিটেড লেদার স্টিয়ারিং হুইল এবং উড-ভেনিয়ার ট্রিম। আরও দামি সংস্করণে গেলে, লেদার হেডলাইনার পর্যন্ত বিস্তৃত থাকে, সিটে ম্যাসেজিং ফাংশন যোগ হয় এবং কার্গো কম্পার্টমেন্টের কার্পেট ফিনিশড কাঠ দিয়ে বদলে নেওয়া যায়। এসভি অটোবায়োগ্রাফি মডেলের মেটালিক আর্মরেস্ট অ্যাডজাস্টমেন্ট নব, সাটিন-ব্রাশড মেটাল কাপহোল্ডার এবং বোতল কুলারের কথা না বললেই নয়। সেকেন্ড রো-র পেছনে রেঞ্জের ৩২ কিউবিক ফুট কার্গো স্পেস বেশ মনে হলেও এটি এই সেগমেন্টের নিচের সারিতে রয়েছে। তবুও, পেছনের সিট ব্যবহার করা অবস্থায় এতে ১৩টি ক্যারি-অন কেস রাখা যায়, যা বেশিরভাগ চার বা পাঁচ সদস্যের পরিবারের জন্য যথেষ্ট।
মূল হাইলাইটগুলোর মধ্যে রয়েছে:
-বিলাসবহুল ইন্টেরিয়র: প্রিমিয়াম লেদার আপহোলস্টারি, উড ভেনিয়ার এবং কাস্টমাইজেবল অ্যাম্বিয়েন্ট লাইটিং।
-উন্নত প্রযুক্তি: টাচ প্রো ডুও ইনফোটেইনমেন্ট সিস্টেম, মেরিডিয়ান সাউন্ড সিস্টেম এবং ড্রাইভার অ্যাসিস্ট্যান্স ফিচারের একটি স্যুট।
-অফ-রোড সক্ষমতা: ল্যান্ড রোভারের টেরেইন রেসপন্স সিস্টেমে সজ্জিত, যা সহজেই বিভিন্ন টেরেইনে চলতে সক্ষম।
-নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য:
-অ্যাডাপ্টিভ ক্রুজ কন্ট্রোল: সামনের গাড়ির সাথে নির্দিষ্ট দূরত্ব বজায় রাখে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে গতি সামঞ্জস্য করে।
-ইমার্জেন্সি ব্রেকিং: গাড়ি, পথচারী বা সাইকেলচালকদের সাথে সম্ভাব্য সংঘর্ষ শনাক্ত করে এবং প্রয়োজনে ব্রেক কষে।
-লেন কিপ অ্যাসিস্ট: কারেক্টিভ স্টিয়ারিং প্রয়োগ করে অনিচ্ছাকৃতভাবে লেন থেকে সরে যাওয়া রোধ করতে সাহায্য করে।
-ব্লাইন্ড স্পট অ্যাসিস্ট: ব্লাইন্ড স্পটে থাকা গাড়ি সম্পর্কে চালককে সতর্ক করে এবং প্রয়োজনে স্টিয়ারিং কারেকশন দেয়।
-ট্রাফিক সাইন রিকগনিশন: ইন্সট্রুমেন্ট ক্লাস্টারে স্পিড লিমিট এবং অন্যান্য ট্রাফিক সাইন প্রদর্শন করে।
-ড্রাইভার কন্ডিশন মনিটর: চালকের ক্লান্তির লক্ষণ শনাক্ত করে এবং বিরতি নেওয়ার পরামর্শ দেয়।
-রিয়ার কলিশন মনিটর: হ্যাজার্ড লাইট ফ্ল্যাশ করে পেছনের সম্ভাব্য সংঘর্ষের বিষয়ে সতর্ক করে।
-ফ্রন্ট এবং রিয়ার পার্কিং সেন্সর: গাড়ির চারপাশের বাধা শনাক্ত করে পার্কিংয়ে সহায়তা করে।
-ফরোয়ার্ড কলিশন ওয়ার্নিং: আসন্ন সংঘর্ষ সম্পর্কে চালককে সতর্ক করে
রিয়ারভিউ ক্যামেরা: রিভার্স করার সময় গাড়ির পেছনের এলাকার পরিষ্কার দৃশ্য প্রদান করে।
-বাজারের অন্যতম ফ্রেশ ইউনিট। হাতছাড়া করবেন না
মূল্য: ৩ কোটি ৯০ লাখ (সামান্য আলোচনা সাপেক্ষ)
-দয়া করে এটিকে বেসিক স্পেক ভি৮ এর সাথে তুলনা করবেন না যা অনেক কম মূল্যে পাওয়া যায়।
আর্থিক সহায়তা প্রদান করা যেতে পারে
আরও তথ্যের জন্য ইনবক্স করুন অথবা কল করুন বিডি