এই সায়েন্স ফিকশনের মূল চরিত্রএকজন স্কুল-শিক্ষক।দিন-রাত গণিতের বিভিন্ন জটিল জটিল সমস্যা নিয়ে ভাবেন। তারপর থেকে তার মধ্যে বিভিন্ন অপ্রকৃতস্থতা লক্ষ্য করা যায়। তিনি একজনকে সব সময় তার সাথে দেখতে পান, যে কি না নিজেকে শূন্য জগতের বাসিন্দা বলে দাবি করে।এরপর থেকে লেখক গল্পে বিরাট মায়াজাল সৃষ্টি করেছেন। এই শূন্য জগত থেকে আসা যুবক যাকে মনসুর সাহেব তার প্রিয় রাশিমালার নামে ফিবোনাক্কি বলে ডাকেন, তার কি আসলেই বাস্তব জগতে কোন অস্তিত্ব আছে না কি সে শুধুই মনসুর সাহেবের কল্পনা? যেই সমস্যা মনসুর সাহেবের দাদা এবং বাবাও সমাধান করার চেষ্টা করেছিল। অর্থাৎ তারা তিন পুরুষ ধরে এই কাজটি করছেন। কিন্তু মনসুর সাহেবের কোন উত্তরাধিকার না থাকায় তাকে এই সমস্যাটা সমাধান করতেই হবে। তিনি কি পারবেন এই সমস্যার সমাধান করতে?‘শূন্য’ বইটির একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হল এখানে গল্পের কাহিনী বিজ্ঞানের খুব কাছাকাছি থেকে তৈরি করা হয়েছে।