সংস্কৃতে যা ভুনিম্বা নামে পরিচিত বাংলায় তা চিরতা নামে পরিচিত যায় সোয়েরশিয়া চিরতা। সারা ভারতে এটি পাওয়া গেলেও ১৮৩৯ খ্রিস্টাব্দে সর্বপ্রথম ইউরোপে এটি আবিষ্কৃত হয়। এটি স্যালিসাইলিক সমৃদ্ধ যা অত্যন্ত তিক্ত স্বাদের জন্য পরিচিত ত্বকের সমস্যা, জ্বর এবং প্রদাহের চিকিৎসায় ঔষধি হিসেবে ব্যবহৃত হয়। প্রশস্ত পাতার এই গাছের ফল সাদা রঙের হয় এবং প্রায় ২-৩ ফুট উচ্চতাযুক্ত হয়। মুখগহ্বরে লালাক্ষরণের সময়ে চিরতার শুষ্কতা, গরমভাব, তিক্ত স্বাদ, এবং কটু গন্ধের কারণে এটি শ্লেষ্মা, পিত্ত, এবং বাতের মতো রোগের ভারসাম্য রক্ষায় ব্যবহৃত হয়। এর উপকারিতা এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার উপর আলোকপাত করা যাক।
ওজন কমাতে সাহায্য করে
বর্তমানে ওজন কমানো এক অন্যতম সমস্যা। এর জন্যও অনেক ধরনের ওষুধও বাজারে পাওয়া যায়। তবে চিরতার মাধ্যমে সহজেই ওজন কমানো যায়। চিরতাতে উপস্থিত মিথানল মেটাবলিজমের হার বৃদ্ধ ক’রে ওজন কমাতে সাহায্য করে।
অনাক্রম্যতা বৃদ্ধি করে