ক্যামেরার বিশেষ ফিচার ও সুবিধাসমূহ:
অসাধারণ জুম ক্ষমতা: এতে রয়েছে ৫০ এক্স (50x) অপটিক্যাল জুম (২৪-১২০০ মিমি ফোকাল লেন্থ)।
ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন: ক্যামেরায় শক্তিশালী অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজার (IS) আছে।
সেন্সর ও প্রসেসর: ১২.১ মেগাপিক্সেল হাই-সেনসিটিভিটি CMOS সেন্সর এবং DIGIC 5 ইমেজিং প্রসেসর।
ঘূর্ণায়মান ডিসপ্লে: ২.৮ ইঞ্চি ভ্যারি-অ্যাঙ্গেল বা ফ্লেক্সিবল LCD স্ক্রিন।
এইচডি ভিডিও ও ম্যানুয়াল মোড: ফুল এইচডি (১০৮০পি) ভিডিও রেকর্ডিং করা যায়।
ডিসপ্লে কন্ডিশন (অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ): বর্তমানে ডিসপ্লের চারপাশের বোর্ডে সামান্য কিছুটা কালো শ্যাডো বা শ্যাডিং দেখা যায়। এ র বলে দেখা গেছে, এই সমস্যাটি ঠিক করতে আনুমানিক ১,০০০ থেকে ১,৫০০ টাকার মতো খরচ হতে পারে। সমস্যার বিষয়টি একদম স্পষ্ট করে দেওয়া হলো যাতে ক্রয়ের পর কারও মনে কোনো অসন্তোষ না থাকে। উল্লেখ্য, এই শ্যাডোর কারণে মূল তোলা ছবিতে কোনো প্রভাব পড়ে না—ছবি শতভাগ ক্লিয়ার আসে।