নীরব প্রতিবাদ
হিমাংশুদেব বর্মণ
শর্ত তাদের বেশি কিছু ছিল না। পরিবারের সম্প্রীতি ও শান্তি রক্ষা করে চলা, রিগানের জীবন ও সংসারের উন্নয়নমূলক কাজে সব সময় পাশে থাকা এবং সহযোগিতা করার শর্তে রাজি হয়ে তার সঙ্গে প্রথমে প্রেম, পরে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয় তুসি।
রিগান শহরে একটি ছোট ব্যবসা করে। তবে ব্যবসার অগ্রগতি অব্যাহত রাখতে পরিবারকে বেশি সময় দিতে পারে না সে। ভোরবেলা বাসা থেকে বের হয়, আর প্রতিদিন গভীর রাতে বাসায় ফেরে। বাসায় এসে ফ্রেশ হয়ে বাবার ঘরে গিয়ে দেখে, তিনি ঘুমিয়ে পড়েছেন। তুসির কাছে বাবার খবর জানতে চাইলে সে বলে,
—