Honda Hornet 2.0 বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় প্রিমিয়াম কমিউটার বাইক, যা এর আকর্ষণীয় "স্ট্রিট ফাইটার" লুক এবং সেগমেন্টের প্রথম আপসাইড ডাউন (USD) ফর্ক ফিচারের জন্য পরিচিত।
বাংলাদেশের বাজারে বর্তমান মডেলের বিস্তারিত স্পেসিফিকেশন নিচে দেওয়া হলো:
ইঞ্জিন ও পারফরম্যান্স
ইঞ্জিন টাইপ: ৪-স্ট্রোক, সিঙ্গেল সিলিন্ডার, PGM-FI (ফুয়েল ইনজেক্টেড), BS-VI কমপ্লায়েন্ট।
ডিসপ্লেসমেন্ট: ১৮৪.৪ সিসি
সর্বোচ্চ শক্তি: ১৭ এইচপি (১২.৭ কিলোওয়াট) @ ৮,৫০০ আরপিএম
সর্বোচ্চ টর্ক: ১৬.১ এনএম @ ৬,০০০ আরপিএম
ট্রান্সমিশন: ৫-স্পিড ম্যানুয়াল
কুলিং সিস্টেম: এয়ার কুলড
চ্যাসিস, সাসপেনশন ও ব্রেকিং
ফ্রেম: ডায়মন্ড টাইপ
ফ্রন্ট সাসপেনশন: গোল্ডেন আপসাইড ডাউন (USD) টেলিস্কোপিক ফর্কস (স্থায়িত্ব ও লুকের জন্য সেরা ফিচার)।
রিয়ার সাসপেনশন: মনোশক
ব্রেকিং সিস্টেম: সিঙ্গেল-চ্যানেল এবিএস (সামনে)
ফ্রন্ট ব্রেক: ২৭৬ মিমি পেটাল ডিস্ক
রিয়ার ব্রেক: ২২০ মিমি পেটাল ডিস্ক
টায়ার (টিউবলেস):
সামনে: ১১০/৭০-১৭ এম/সি ৫৪এস
পেছনে: ১৪০/৭০-১৭ এম/সি ৬৬এস (ভালো গ্রিপের জন্য চওড়া টায়ার)
ডাইমেনশন ও ক্যাপাসিটি
ওজন: ১৪২ কেজি (শহরের ট্র্যাফিকের জন্য হালকা ও সহজে চালানো যায়)
ফুয়েল ট্যাংক ক্যাপাসিটি: ১২ লিটার
গ্রাউন্ড ক্লিয়ারেন্স: ১৬৭ মিমি
সিট হাইট: ৭৯০ মিমি (অধিকাংশ রাইডারের জন্য আরামদায়ক)
হুইলবেস: ১,৩৫৫ মিমি
মূল ফিচারসমূহ
লাইটিং: অল-এলইডি সেটআপ (হেডল্যাম্প, এক্স-শেপ টেইল ল্যাম্প এবং ইন্ডিকেটর)।
কনসোল: ফুল ডিজিটাল লিকুইড ক্রিস্টাল মিটার (গিয়ার পজিশন ইন্ডিকেটর এবং ব্যাটারি ভোল্টমিটারসহ)।
ক্লাচ: অ্যাসিস্ট ও স্লিপার ক্লাচ (দ্রুত ডাউনশিফটিংয়ের সময় চাকা স্লিপ করা রোধ করে)।
নিরাপত্তা: হ্যাজার্ড সুইচ এবং ইঞ্জিন স্টপ সুইচ।