রঙ ও পশম: বিড়ালটির গায়ের রং গাঢ় ধূসর বা কালো মনে হলেও পশমের গোড়ার দিকে হালকা বা রুপালি আভা থাকতে পারে (যাকে 'স্মোক' এফেক্ট বলা হয়)। এর লোম বেশ ঘন এবং মাঝারি লম্বা, যা নির্দেশ করে যে এতে পার্সিয়ান জিনের প্রভাব আছে।
কান ও মুখ: এর কানগুলো বেশ খাড়া এবং মাথার তুলনায় সামঞ্জস্যপূর্ণ। মুখমণ্ডল একদম চ্যাপ্টা নয়, বরং কিছুটা সাধারণ বিড়ালের মতো দীর্ঘ। এটি মূলত ক্রস-ব্রিড বিড়ালদের প্রধান বৈশিষ্ট্য।
চোখ: ছবির অন্ধকার ভাব থাকলেও বোঝা যাচ্ছে এর চোখগুলো বড় এবং উজ্জ্বল। সাধারণত এই রঙের বিড়ালদের চোখের মণি হলুদ বা তামাটে রঙের হয়ে থাকে
এটি পিওর ব্রিড কোনো বিড়াল নয়, বরং একটি সুন্দর সেমি-পার্সিয়ান বিড়াল। আমাদের দেশের পরিবেশে এই ধরণের বিড়ালগুলো খুব জনপ্রিয় কারণ এদের রোগবালাই কম হয় এবং এরা বেশ বুদ্ধিমান ও বন্ধুত্বপূর্ণ হয়ে থাকে।