পুরানো মডেলের ল্যাপটপ কিন্তু সবকিছু লেটেস্ট ভার্সনে আপডেট করা। এই ল্যাপটপটি বহুমুখী কাজের জন্য ব্যবহার করা যাবে। প্রাথমিক থেকে অ্যাডভান্স লেভেলের সব কাজ করা যায়, কোনো স্লো বা ল্যাগিং নেই।
অনেকে হয়তো বলবেন “কিছু টাকা যোগ করলে নতুন মডেলের স্লিম ল্যাপটপ পাওয়া যায়, হালকা ওজনের ইত্যাদি”। কিন্তু মনে রাখবেন! ওল্ড ইজ গোল্ড। প্রথমত, মডেলটি পুরানো হলেও এর যন্ত্রাংশগুলো লেটেস্ট ল্যাপটপের মতোই। দ্বিতীয়ত, নতুন বা স্লিম ল্যাপটপের তুলনায় এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ অনেক কম। তৃতীয়ত, এর পার্টস সহজেই পাওয়া যায়।
সংক্ষেপে, আপনি যখন একটি নতুন টয়োটা এবং মার্সিডিজ গাড়ি কেনেন, দামের পার্থক্য থাকে, কিন্তু সমস্যা সেটা নয়। সমস্যা হলো যখন আপনি সেটি পুনরায় বিক্রি করতে যান, টয়োটার ভালো রিসেল ভ্যালু থাকে কিন্তু মার্সিডিজের থাকে না, কারণ সেটির রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি। ল্যাপটপ বা গাড়ি যাই হোক, সেকেন্ড হ্যান্ড কেনার আগে ক্রেতাকে দুবার ভাবতে হয়।
ধন্যবাদ