পোশাক তৈরি: শীতের সোয়েটার, জ্যাকেট, কোট, স্কার্ফ, টুপি এবং গ্লাভস তৈরিতে এর ব্যাপক ব্যবহার রয়েছে।
বিছানা ও ঘরের সামগ্রী: ভেড়ার লোম থেকে আরামদায়ক কম্বল, চাদর এবং কার্পেট তৈরি করা হয়। এছাড়া বাংলাদেশে এই লোম দিয়ে জায়নামাজ তৈরির নজিরও রয়েছে।
সুতা উৎপাদন: লোমগুলো পরিষ্কার ও প্রসেসিং করার পর চরকায় বা মেশিনে কেটে সুতা তৈরি করা হয়, যা বুনন শিল্পে ব্যবহৃত হয়।
অন্যান্য ব্যবহার: কুশন বা বালিশের ভেতরে নরম পুরণ (filling) হিসেবে এবং বিভিন্ন ধরনের ফ্যান্সি ফেব্রিক তৈরিতেও এটি ব্যবহৃত হয়।
ভেড়ার লোম প্রাকৃতিকভাবে শরীর গরম রাখতে এবং আর্দ্রতা নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে, তাই এটি টেক্সটাইল শিল্পে অত্যন্ত মূল্যবান।