একটি মাদারবোর্ড, একটি প্রসেসর এবং একটি সিপিইউ কুলার
আপনি একটি সুপার পিসি তৈরি করতে পারবেন। একটি FX প্রসেসরও বিনামূল্যে দেওয়া হবে।
বিক্রির কারণ: নতুন সিস্টেমে বিনিয়োগ করছি
এই মাদারবোর্ড এবং প্রসেসর এর কম্বিনেশনটি বেশ জনপ্রিয় কারণ এটি দিয়ে পুরোনো অনেক ভারী কাজও অনায়াসেই করা যেত। নিচে এদের বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হলো:
১. মাদারবোর্ড: Gigabyte GA-880GM-USB3L
এটি একটি Micro ATX মাদারবোর্ড যা মূলত AMD 880G চিপসেটের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
সকেট সাপোর্ট: এটি AM3+ এবং AM3 সকেটের প্রসেসর সাপোর্ট করে, যার ফলে এতে Phenom II বা Athlon II ছাড়াও পরবর্তী প্রজন্মের FX সিরিজের প্রসেসরও ব্যবহার করা যায়।
মেমোরি: এতে ২টি DDR3 র্যাম স্লট আছে যা সর্বোচ্চ ৩২ জিবি পর্যন্ত সাপোর্ট করে।
গ্রাফিক্স: এতে ইন-বিল্ট ATI Radeon HD 4250 গ্রাফিক্স রয়েছে, যা সাধারণ কাজ বা হালকা গেমিংয়ের জন্য যথেষ্ট।
কানেক্টিভিটি: এর বিশেষত্ব হলো USB 3.0 সাপোর্ট, যা সেই সময়ের তুলনায় অনেক দ্রুত ডেটা ট্রান্সফার সুবিধা দিত।
২. প্রসেসর: AMD Phenom II X2 550
এটি একটি ডুয়াল-কোর (২ কোর) প্রসেসর যা Callisto আর্কিটেকচারের ওপর ভিত্তি করে তৈরি।
স্পিড: এর ক্লক স্পিড ৩.১ গিগাহার্টজ এবং এতে ৬ মেগাবাইট L3 ক্যাশ রয়েছে, যা পারফরম্যান্সের জন্য বেশ সহায়ক।
আনলকিং সুবিধা: এই প্রসেসরের সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হলো এর Core Unlocking ক্ষমতা। অনেক ক্ষেত্রে মাদারবোর্ডের BIOS থেকে ACC (Advanced Clock Calibration) অপশন ব্যবহার করে এর বাকি ২টি সুপ্ত কোর আনলক করা যেত, যা একে একটি কোয়াড-কোর (৪ কোর) প্রসেসরে রূপান্তর করতে পারত।
এই কম্বিনেশনের বিশেষ সুবিধা:
সাশ্রয়ী বাজেট: যারা কম বাজেটে ভালো পারফরম্যান্স খুঁজতেন, তাদের জন্য এটি ছিল সেরা পছন্দ।
আপগ্রেড সুবিধা: AM3+ সকেট হওয়ার কারণে পরবর্তীতে চাইলে ভালো কোনো প্রসেসর (যেমন: FX-6300) লাগানো সম্ভব।
স্থায়িত্ব: গিগাবাইটের Ultra Durable প্রযুক্তির কারণে এই মাদারবোর্ডগুলো দীর্ঘস্থায়ী হয়ে থাকে।