অরবিকা সারাংশ:
প্রায় বেশ কিছুদিন ধরে মৌনীতা মানুষ পর্যবেক্ষণের জন্য একটি খালপাড়ে এসে বসেন। কিছুক্ষণ মানুষ খোঁজেন তারপর সেই রকম সাসপেসিয়াস কাউকে না পেয়ে চলে যান সেখান থেকে। তবে হঠাৎ একদিন অদ্ভুত এক লোক দেখতে পায় তিনি সেখানে। বেশ কিছুদিন তাকে লক্ষ্য করার পর একদিন এক বিকেলের অনেকটুকু সময় তার সাথে জমিয়ে তুলেন আলাপচারিতা। জানতে পারেন লোকটার নাম তানা মিয়া। তার ভীষণ মন খারাপ। খালপাড়ে দাঁড়িয়ে অতীতের কিছু সময় মনে করতে থাকেন। আর মৌনীতা সেখানে তার পর্যবেক্ষণের নাম করে নানান প্রশ্নের ঝড় তোলেন। মাঝে মাঝে একটু একটু খোঁচাও মারেন। হাত দিয়ে নয়, কথা দিয়ে তিনি খোঁচান তানা মিয়াকে। সেই বিকেলে তাদের এক রোমাঞ্চকর মুহূর্ত কেটে যায় এবং তানা মিয়ার কিছু আজব আজব প্রশ্ন, মৌনীতাকে তার পর্যবেক্ষণের আগ্রহ বাড়িয়ে তোলে। মৌনীতা, তানা মিয়ার কাছে একটি ডায়েরি দেখতে পায়। মৌনীতা মনে মনে চায়, ডাইরিটা দেখতে! যে কি লেখা সেখানে! কিন্তু তানা মিয়া সেটা তাকে আর দেখায় না। তাই মৌনীতা চায় ডায়রিটা চুরি করে নিতে। কিন্তু সেটা সে কোনভাবেই পারে না। অবশেষে সেই ডাইরি টা সেখানে ফেলেই বাসায় চলে যায় তানা মিয়া। ক্লান্ত শরীর নিয়ে বাসায় ফিরে গিয়ে তানা মিয়া একটা স্বস্থির ঘুম দেন।
গল্পের শুরুতে আমরা দেখতে পাই, জিনের বাদশা নামে একটি মেয়ের প্রেমে পড়ে তানা মিয়া। জিনের বাদশা এবং তানা মিয়ার আংশিক প্রেম কাহিনী লক্ষ্য করা যায় সেখানে। তারপর মাঝখানে প্রায় আড়াই বছর কেটে যায়। আড়াই বছর পর তানা মিয়াকে দেখতে পাওয়া যায় ভিন্নরূপে। কিন্তু আমরা অরবিকাকে এখানে দেখতে পাই না।
এখন প্রশ্ন হচ্ছে কে এই অরবিকা? এবং মাঝখানে আড়াই বছর কি হয়েছিল? তানা মিয়ায় বা মন খারাপ করেছিল কেন? মৌনীতা যেই ডায়েরিটা পেয়েছেন তাতে তানা মিয়া কি লিখতেন?
অরবিকা নিঃসন্দেহে এই গল্পের নায়িকা। এই প্রশ্ন গুলোর উত্তর এবং অরবিকাকে জানতে অপেক্ষায় থাকতে হবে এই বইয়ের পরবর্তী অংশে ।