বৈদ্যুতিক ড্রয়িং ও স্কিম্যাটিক পড়া: ব্লু-প্রিন্ট, সার্কিট ডায়াগ্রাম, এবং প্যানেল শিডিউল নিখুঁতভাবে বুঝতে ও পড়তে পারা।
কন্ট্রোল সিস্টেম ও পিএলসি (PLC): ইন্ডাস্ট্রিয়াল অটোমেশনের ভিত্তি হলো পিএলসি। বিভিন্ন মেশিনের লজিক কন্ট্রোল, সেন্সর, মোটর ড্রাইভ (VFD, Soft Starter) এবং পিএলসি ট্রাবলশুটিংয়ের জ্ঞান থাকা আবশ্যক।
মেশিন ওয়্যারিং ও প্যানেল বোর্ড: থ্রি-ফেজ (3-Phase) পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন, ইন্ডাস্ট্রিয়াল মোটর কানেকশন এবং মেইন ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড (MDB) বা সাব-ডিস্ট্রিবিউশন বোর্ড (SDB) ওয়্যারিং করা।
সমস্যা নির্ণয় (Troubleshooting): মাল্টিমিটার, ক্ল্যাম্প মিটার, মেগার, এবং অসিলোস্কোপের মতো টেস্টিং টুলস ব্যবহার করে দ্রুত বৈদ্যুতিক ত্রুটি বা শর্ট সার্কিটের উৎস খুঁজে বের করা।
সাব-স্টেশন ও ট্রান্সফরমার: পাওয়ার ট্রান্সফরমার, এইচটি (HT) ও এলটি (LT) সুইচগিয়ার, এবং সার্কিট ব্রেকার (ACB, VCB, MCCB) রক্ষণাবেক্ষণ ও পরিচালনার জ্ঞান।
নিরাপত্তা প্রোটোকল (Safety Protocol): কারখানার ইন্ডাস্ট্রিয়াল সেফটি কোড (যেমন: OSHA, NEC), লকআউট/ট্যাগআউট (LOTO) পদ্ধতি এবং আর্ক-ফ্ল্যাশ থেকে বাঁচার নিয়মাবলি মেনে কা