😮উত্তরা ৫৪ নং ওয়ার্ডে পার্কিং সহ ১৬৫০ বর্গফুটের এ্যাপার্টমেন্ট মাত্র ৫০ লাখ টাকায়😮
"শেয়ার বিক্রয় চলছে"
জমির পরিমানঃ ১০ কাঠা
প্রতি ফ্লোরে ইউনিটঃ ৪ টি
ফ্ল্যাট সাইজ কমনসহ ১৫০০ বর্গফুট+পার্কিং ১৫০ বর্গফুট (মোট ১৬৫০)
প্রতি ফ্ল্যাটে ৪ বেড, ৩ বাথ, ২ বারান্দা, আলাদা আলাদা ডাইনিং এবং ড্রয়িং রুম,
বড় সাইজের কিচেন!
শেয়ার মূল্য ১৮,০০,০০০/- (জমির সাব কবলা রেজিট্রি করে দেওয়া হবে)
WhatsApp for details...
***উত্তরার ৫৪ নং ওয়ার্ড ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের ভিতরে পড়েছে। এটি ৬০০ বিঘার পরিকল্পিত একটি আধুনিক হাউজিং। এর ভিতরে থাকবেঃ আধুনিক মডেল স্কুল, মাদ্রাসা, মডেল মসজিদ, প্রথমিক চিকিৎসার জন্য থাকবে কমিউনিটি হসপিটাল, কেনা-কাটা করার জন্য থাকবে অত্যাধুনিক শপিংমল। খেলার মাঠ এবং সুন্দর একটা গার্ডেন থাকবে। এটা খুবই নিরিবিলি সুন্দর এবং যানজটমুক্ত পরিবেশ। প্রজেক্টের বাহিরে আশেপাশে এখনি বেশকিছু বসতি হয়েছে, অনেক সুন্দর সুন্দর বিল্ডিংও হয়ে গেছে।
প্রজেক্টের সাথে লাগানো প্রতিষ্ঠানগুলির কথা যদি বলিঃ- উত্তরা ইউনিভার্সিটি, বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি, আশা ইউনিভার্সিটির পার্মানেন্ট ক্যাম্পাস। অপরদিকে ইস্টওয়েস্ট মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, শিপ ইন্টারন্যাশনাল হাসপিটাল, আইইউবিএটি, আহসানিয়া মিশন ক্যান্সার হসপিটাল। এইসব ইনস্টিটিউট গুলির রোড ঘেষে আমাদের প্রোজেক্ট।
এটি ঢাকা মেট্রো এর মধ্যে এতসুন্দর লোকেশনে পড়েছে! এই এলাকায় ১৫০০ স্কয়ার ফুটের এ্যাপার্টমেন্ট ডেভলাপারে কাছে কিনতে গেলে, ১ কোটি প্লাস দাম নিবে।
৫০ লক্ষ টাকার মদ্ধে কাঙ্খিত এপার্টমেন্টটা কিভাবে পাবেন, সেই আলোচনায় যাওয়া যাকঃ আমাদের ১০কাঠা জমির সকল খরচ কস্টিং করে প্রতি শেয়ারের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১৮ লক্ষ টাকা। যেটা কেনার সাথে সাথেই রেজিট্রি করে দেওয়া হবে, আপনি সাব কবলা দলিলের মালিক হয়ে যাবেন। বিল্ডিংয়ের কাজ শেষ হতে ৪ বছর সময় লাগবে। সবাই মিলে আলোচনা করে প্রতি মাসে কিস্তি হিসাবে ধরে বিল্ডিংয়ের কাজ শুরু করা হবে। তাতে করে বিল্ডিং কমপ্লিট করা পর্যন্ত একেক জনার সর্বচ্চ ৩০ থেকে ৩২ লক্ষ টাকা করে খরচা হবে, যেটা প্রতিমাসে অল্প অল্প করে কিস্তির মাধ্যমে দিতে হবে। বিল্ডিং কম্পিলিট হলে লটারীর মাধ্যমে সবাইকে যার-যার ফ্ল্যাট বুঝিয়ে দেওয়া হবে (কেউ যাতে অসন্তুষ্ট না হয় সে-ব্যবস্থাও থাকবে)।
দেখুন! আপনি যদি ডেভলপারের কাছ থেকে একটা ফ্লাট কিনেন, আপনি কিন্তু জানছেন না.. সেখানে কোন গ্রেডের রড, সিমেন্ট ব্যাবহার করা হয়েছে। এখানে সুবিধা হচ্ছে… এই বিল্ডিংয়ে আমি/আপনি আমরা সকলে মিলে আলোচনা করে… কোন ব্রান্ডের রড বা সিমেন্ট ব্যাবহার করবো সেইগুলি নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিয়ে, নিজেদের বাড়ি নিজেরাই গড়বো। কোন খাতে কত টাকা খরচা হচ্ছে সব কিছু ওপেন থাকবে, ১টাকা খরচা হলেও সেটা গ্রুপে আপ-ডেট হবে। শেয়ারের মূল্যর কথা যদি বলিঃ ১৫০০ স্কয়ার ফুটের একটা রেডী ফ্লাট কিনতে গেলে রেজিট্রি খরচ আসবে ৫/৬ লক্ষ টাকা প্লাস একটা পাকিংয়ের মূল্য কম করে হলেও ৪লক্ষ টাকা। এই ১০লক্ষ টাকা যদি বাদ দিই, তাহলে শেয়ারের মূল্য কিন্তু পরছে মাত্র ৮লক্ষ টাকা!
এক্সপ্রেসওয়ে এবং মেট্রো রেল হওয়াতে এখানকার কমিউনিকেশনটা অত্যান্ত চমৎকার হয়েছে, এখান থেকে যেকোনো যায়গায় খুব সহজেই মুভ করা যাবে।
নিঃস্বন্দেহে এটি বসবাসের জন্য অনেক সাশ্রয়ী। এবং বিনিয়োগের জন্য খুবই চমৎকার একটি প্রোজেক্ট! এ ধরণের প্রজেক্ট-এ বিনিয়গ করে কমপক্ষে ৫০/৬০ লক্ষ টাকা মুনফা করতে পারবেন। “ধন্যবাদ”