সরিষার তেল (বিশেষ করে খাঁটি বা কোল্ড প্রেসড) হার্ট ভালো রাখা, কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণ, হজমশক্তি বৃদ্ধি এবং শরীরের প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত সহায়ক [১, ৫, ৭]। এতে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে, যা রক্তচাপ ও চর্বি কমাতে সাহায্য করে [১, ৪]। তবে অতিরিক্ত সেবনে হজমের সমস্যা, এলার্জি বা ফুসফুসের ঝুঁকি থাকতে পারে [৯, ১৪]।
সরিষার তেল খাওয়ার প্রধান উপকারিতা ও প্রভাব:
হার্ট ও কোলেস্টেরল: সরিষার তেল খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) কমিয়ে ভালো কোলেস্টেরল (HDL) বাড়াতে সাহায্য করে, যা হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় [৪, ৭, ১২]।
হজম ও প্রদাহ হ্রাস: এটি পিত্ত নিঃসরণ বাড়িয়ে হজমে সহায়তা করে এবং এতে থাকা অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি উপাদান শরীরের প্রদাহ বা ব্যথা কমায় [৩, ৬, ১১]।
ঠান্ডা-কাশি উপশম: বুকে সরিষার তেল মালিশ করলে বা এর গন্ধ শ্বাস প্রশ্বাসের মাধ্যমে নিলে জমে থাকা কফ ও ঠান্ডা উপশম হয় [৫]।
পুষ্টিগুণ: এতে প্রচুর পরিমাণে মনোস্যাচুরেটেড এবং পলিআনস্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে, যা স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী [৭]।
সাবধানতা: অতিরিক্ত সরিষার তেল খেলে এলার্জি, ত্বক জ্বালাপোড়া বা পেটের সমস্যা হতে পারে [৯]। এছাড়াও, উচ্চ এরুসিক অ্যাসিড (erucic acid) উপাদানের কারণে খুব বেশি পরিমাণে খাওয়া দীর্ঘমেয়াদে হার্টের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে [১৪]।
পরিমিত পরিমাণে, বিশেষ করে খাবারে ফোরন বা ভর্তায় খাঁটি সরিষার তেল ব্যবহার করা সবচেয়ে ভালো [১২, ১৪]।