আমার এই গাড়িটিতে কোনো কাজ নেই, শুধু কিনবেন এবং চালাবেন। বাস্তবে গাড়িটি দেখলে বুঝতে পারবেন, এটি খুবই ভালো কন্ডিশনে আছে। ইন্ডিয়ান গাড়ি বলে বলব না, যারা এই গাড়িটি চালাননি তারা এটি সম্পর্কে বুঝতে পারবেন না। তবে এই গাড়িটি কোনো অংশে জাপানের চেয়ে কম নয়। আমি নিজে এই গাড়িটি চালিয়ে খুবই ভালো বোধ করি। যাই হোক, যারা গাড়িটি নিতে ইচ্ছুক, নির্দ্বিধায় নিতে পারেন। এই গাড়ির পার্টসপত্র অ্যাভেলেবেল, যা সুজুকি কোম্পানিতেই পেয়ে যাবেন অরিজিনাল পার্টস।
আরেকটি কথা, এই গাড়িটি কিন্তু ১৫০০ সিসির স্মার্ট হাইব্রিড এবং সর্বোচ্চ প্যাকেজের গাড়ি। এই প্যাকেজের গাড়িগুলো বাংলাদেশে খুব কম এসেছে। শুধু ১৩০০ সিসির গাড়িগুলো বেশি পাওয়া যায়, যার দাম এসবের চেয়ে কম এবং অনেক ফিচার থাকে না। কিন্তু এটিতে অত্যাধুনিক সকল ফিচার আছে, যার কারণে এটির দামটাও একটু বেশি। প্রয়োজনে সবাই একটু মিলিয়ে দেখবেন। গাড়িটির মাইলেজ দেবে সিটির ভেতরে ১৫ থেকে ১৬ এবং হাইওয়েতে ১৮ থেকে সাড়ে 19 যেটি আমি পাই প্রয়োজনে ২, ৪,১০ কিলো গাড়ি চালিয়ে দেখবেন এটি হলো এই গাড়ির সবচাইতে ভালো দিক যা এই মডেলের গাড়ি থেকে পাবেন কিন্তু ১৩০০ সিসি অথবা জিএলএক্স প্যাকেজ ছাড়া এটা পাবেন না
গাড়ির পেপার আপটুডেট আছে।
ট্যাক্স টোকেন: ১-৩-২৬
ফিটনেস: ১৭-১০-২৬
আরেকটি কথা এটার কালার ছিল ব্ল্যাক কালার কিন্তু এটা পরবর্তীতে সিলভার কালার করা হয়েছে কারণ ব্লাক কালার প্রচুর ময়লা হয় এই কারণে
বিশেষ দ্রষ্টব্য: গাড়িটি সামনে স্টিলের যে অংশটি আছে সেখানে সামান্য একটু ফাটা আছে এবং পেছনের ব্যাক লাইটে একটু ফাটা আছে যদিও ঢাকাতে নিয়ে গিয়ে ঠিক করলে করা যেত বাট আমি ঢাকায় যাওয়া হয়না গাড়ি নিয়ে খুব একটা তাই ওটা ঠিক করা হয়নি এছাড়া গাড়িতে কোন কাজ নেই এই দুটো জিনিস জেনে যারা ব্যক্তিগতভাবে গাড়িটি চালাবেন, তারা আমার এই গাড়িটি নিতে পারবেন। আমি কোনো শোরুমে এই গাড়ি বিক্রি করব না। আর অবশ্যই যেদিন গাড়ি ডেলিভারি নেবেন, সাথে সাথে মালিকানা ট্রান্সফার করে নিতে হবে। গাড়িটি এখনো উত্তরা মোটরসের নামেই আছে, যদিও উত্তরা মোটরস আমার নামে সকল ক্লিয়ারেন্স দিয়েছে। এখন যিনি নেবেন, নিজ খরচে মালিকানা বদলি করে নিতে হবে। আরেকটি কথা বিজ্ঞাপনের স্বার্থে ঠিকানাটি ঢাকা ব্যবহার করা হয়েছে তবে গাড়িটি বগুড়ায় আছে গাড়ি দেখতে হলে বগুড়ায় আমার বাসায় আসতে হবে ধন্যবাদ।।।



